ডিজিটাল মার্কেটিং কি

“ডিজিটাল মার্কেটিং কি”, ডিজিটালাইজেশনের যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হবে। ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হলে, জানতে হবে ডিজিটাল মার্কেটিং, হলো স্যোশাল মিডিয়া (ফেসবুক, ইউটিউব, পিনটারেস্ট, লিংকডইন, হোয়াটসএ্যাপ, ইমেইল) মাধ্যমে পণ্যের প্রচার করাকেই বুঝায়। ডিজিটাল মার্কেটিং কি। কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হবে। কেন করবেন ডিজিটাল মার্কেটিং। যদি সঠিক উপায়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে না পারেন, তাহল পিছেয়ে পরবেন।

ক্রেডিট কার্ড কি? কোন ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ভালো?

আবার ঘরে ফ্রিল্যান্স করতে চাইলেও ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে হবে। আপনার নতুন পণ্যকে প্রচারের মাধ্যমে নতুন নতুন কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করবে ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং, ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে মার্কেটিং এর একটি উপায় হিসেবে বিবেচিত হতে থাকে। আর বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং ভূমিকা অপরিসীম।

ডিজিটাল মার্কেটিং:

ডিজিটাল মার্কেটিং, হলো স্যোশাল মিডিয়া (ফেসবুক, ইউটিউব, পিনটারেস্ট, লিংকডইন, হোয়াটসএ্যাপ, ইমেইল) মাধ্যমে পণ্যের প্রচার করাকেই বুঝায়। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অল্প সমেয় অধিক কাস্টমারের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়। প্রচারেই প্রসার। যতো প্রচার করবেন, ততো প্রসার ঘটবে। তাই ইলেট্রনিক মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া, বিলবোর্ড সব জায়গায় প্রচার করুন। ইসলামী ব্যাংক খিদমা ক্রেডিট কার্ড কিভাবে পাবেন।

এখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি অন্যতম পন্থা হলো এসইও (Search Engine Optimization)। এসইও এর মাধ্যোম পণ্য করা হয়। এটাই এখন ডিজিটাল মার্কেটিং সবথেকে জনপ্রিয় উপায়। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোনো বিকল্প নেই। শুধু যে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হবে তা নায়। এক্সপার্টলি করতে হবে। আসুন ডিজিটাল মার্কেটিং মার্কেটিং সর্ম্পকে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার:

ডিজিটাল মার্কেটিং বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। তবে আমরা আপনাদের বুঝার সুবিধার জন্য কয়েক প্রকার নিয়ে আলোচনা করবো। প্রধানত ছয় প্রকার আছে যেমন,

  • স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
  • কনটেন্ট মার্কেটিং
  • ওয়েব এনালিটিক্স ও ওয়েব বিশ্লষণ
  • এছাড়াও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
  • সিপিএ মার্কেটিং ইত্যাদি।

মূলত এগুলোই ডিজিটাল মার্কেটিং উপায়। আরো আছে। তবে সেগুলো এগুলো সাব-সেক্টর বলে বিবেচিত হয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করবেন?

ডিজিটাল মার্কেটিং করার প্রয়োজনীয়তা সর্ম্পকে শুরুতেই বলেছি। প্রতিযোগিতার যুগে টিকে থাকতে হলে, মার্কেটিং পন্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। সেক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং হতে পারে আপনার জন্য উপর্যুক্ত উপায়।

মানুষ সকাল থেকে রাত অব্দি স্যোশায় মিডিয়া ব্যস্থ থাকে। একটি মিডিয়া থেকে আরেকটি মিডিয়া ভিজিট করে। ফেসবুক, ইউটিউবে স্কল করতে করতে হাত ব্যাথা করে ফেলে। স্কিনে তাকিয়ে থাকত থাকতে চোখে ঝাঁপসা দেখতে শুরু করে তাও স্যোশাল মিডিয়া থেকে বের হয় না। তাই বিজ্ঞাপন দাতা কোম্পানিগুলো বেছে নিচ্ছে স্যোশাল মিডিয়া।

স্যোশাল মিডিয়া এডস দিয়ে যদি বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়। বেশি কাস্টমার পাওয়া যায়। তাহলে কেন স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং করবে না। ডিজিটাল মার্কেটিং করে অল্প সময়ে বেশি কাস্টমার পাবেন। কাস্টমারের ডাটাব্যাস তৈরি করতে পারবেন। কম খরচে বেশি বেশি পণ্য বিক্রয় করতে পারবেন।

মানুষ এখন বাজারে গিয়ে পণ্য কিনতে চায় না। ঘরে বসে শপিং করে। দেশ বিদেশের প্রতিষ্ঠান থেকৈ পণ্য ক্রয় করে। এমন কি, খাবার পর্যন্ত মানুষ অনলাইনে অর্ডার করে। হোম ডেলিভারি গ্রহণ করে। অনলাইন টিউশন. অনলাইন বাজার, অনলাইন গরুর হাট সবকিছু অনলাইনেই পাওয়া যায়।

একটি সার্ভে বলছে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষ তাদের পছন্দের পণ্য ক্রয় করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ এর উপর নির্ভরশীল।

আবার আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হোন, তাহলে আপনার স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন। অনেক টাকা ইনকাম করতে পারেবন। একজন ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার উজ্জ্বল। ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেসে প্রচুর কাজ আছে। হিউজ পরিমাণ ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন।

ইউটিউব চ্যানেল থেকে টাকা ইনকাম করার উপায়

ডিজিটাল মার্কেটিং কি কি শিখানো হয়ে?

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে শিখানো হয় স্যোশাল মিডিয়াকে ভিত্তি করে কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করা হয়। কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করলে ভালো রেজাল্ট পাবেন। বেশি কাস্টমার পাবেন। পণ্যের প্রচার ও প্রসার ঘটাতে পারবেন।

আর এসব করতে হলে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে হবে। আর ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করে অনেক কিছু শিখতে পারবেন।

স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং:

ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হলে স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে হবে। কারণ স্যোশাল মিডিয়ায় ভালো করতে না পারলে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ভালো ফলাফল আনতে পারবেন ন। তাই অবশ্যই স্যোশাল মিডিয়া করতে হবে। মানুষ সবথেকে বেশি স্যোশাল মিডিয়া সময় কাটান। যেকোন পণ্য ক্রয় করার জন্য স্যোশাল মিডিয়ার সার্চ করেন। তাই সবথেকে বেশি কাস্টামার স্যোশাল মিডিয়া থেকে পাওয়া সম্ভব। এই জন্যই স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখানো হয়। 

স্যোশাল মিডিয়ায়, (ফেসবুক, ইউটিউব, লিংকডইন, পিনটারেস্ট, হোয়াটসএ্যাপ) ইত্যাদি প্রফেশনাল একাউন্ট খুলানো। কিভাবে প্রফেশনালি পোস্ট করতে হয়? কিভাবে গ্রাহক খূঁজে পাবেন? কিভাবে পণ্যের প্রচার করবেন? এসব কিছু ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্সে শিখানো হবে।

ইমেইল মার্কেটিং:

কিভাবে ইমেইল মার্কেটিং করে আপনার পণ্যের প্রচার বাড়াতে পারবেন তা হাতে কলমে দেখানো হবে। এখানে মূলত কাস্টমারের ইমেইল সংগ্রহ করা হয়। এবং তাদের ইমেইলে ইমেইল পাঠানো হয়। যখন নতুন কোন পণ্য উৎপাদন করবেন। যখন নতুন কোনো পণ্যের প্রচার করবেন। নতুন এবং পুরাতন কাস্টমারদেরক ইমেইল করুন। নতুন উৎপাদিত পণ্যের গুনাগুণ সর্ম্পকে জানানো যায়।

এসইও:

ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্যতম একটি উপাদান হলো এসইও। এসইও করে যেকোন ওয়েবসাইট, পোস্ট, ভিডিওকে অনেক বেশি মানুষের সামনে নেয়া যায়। পণ্য নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় অনেকেই পোস্ট করবেন। কিন্তু সবার পোস্ট তো আর সবার সামনে যায় না। কেন যায় না? ভেবে দেখেছেন, কারণ এসইও।

একজন ভালো করে এসইও করছেন। আর একজন এসইও কি জানেন-ই না। তাই তার পণ্যের প্রচার বেশি মানুষের কাছে যাচ্ছে না। ফলে অর্থ খরচ হয় বেশি কিন্তু বিক্রয় হয় কম। তাই ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে এসইও এর ভূমিকা অনেক।

কনটেন্ট তৈরি করুন:

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে সফলতার জন্যে কনটেন্ট তৈরি করুন। ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করুন। ভিডিও কনটেন্ট এর মাধ্যমে বেশি সাড়া পাওয়া যায়। কারণ মানুষ দেখতে পছন্দ করে। মানুষ পড়তে চায় না। আবার সবাই পড়তে পারেও না। ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে সফল হওয়ার জন্য আপনার পণ্যের গুনাগুণ নিয়ে ভিডিও তৈর করুন।

ওয়েব এনালিটিক্স বা ওয়েব রির্চাস করুন:

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে ভালো করার জন্য মার্কেট নিয় গবেষণা করতে হবে। কারণ সব সময় কাস্টমারের চাহিদা এক থাকে না। তাই নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন করার আগে কাস্টমারের চাহিদা নিয়ে গবেষণা করুন। গ্রাহকের ভালোলাগা, খারাপলাগা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, স্ত্রী-পুরুষ গ্রাহকের লোকেশন, অর্থনৈতিক অবস্থা কোন ডিভাইস ব্যবহার করেন এসব বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং করার আগে ওয়েব এনালিটিক্স করা প্রয়োজন।

কিভাবে শিখবো ডিজিটাল মার্কেটিং:

ডিজিটাল মার্কেটিং কি

ডিজিটাল মার্কেটিং শিখার জন্য প্রথম যেটা প্রয়োজন তা হলো আপনার ইচ্ছা। যদি আপনার ইচ্ছা থাকে, তাহলে উপায় একটি হয়ে যাবে। কথায় আছে, “ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়” – “Where there is will, there is a way.” তাই বলবো, আগে ভাবুন আপনার ইচ্ছা কতোটা। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখা না আবেগ। যদি ইচ্ছা হয়, তাহলে শিখতে পারবেন। যদি আবেগ হয়, কিছুদিন পরে ছিটয়ে পড়বেন।

ইউটিউব ভিডিও দেখুন। ইউটিউব প্রচুর টিউটোরিয়াল আছে। সার্চ করুন। আর যেটা প্রয়োজন সেই ভিডিও দেখুন। গুগল সার্চ করুন। ব্লগ পোস্ট পড়ুন। বই পড়ুন। পরিচিত যারা অনেকদিন ধরে ডিজিটাল মার্কেটিং করছেন তাদের কাছে যান। ফ্রিতেই শিখতে পারবেন। ফ্রিতে শিখতে হলে কষ্ট করতেই হবে।

আর টাকা থাকলে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করুন। দেশে প্রচুর প্রতিষ্ঠান আছে। যারা ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করান। ৫-২৫ হাজার টাকা কোর্স ফি। ৩-৬ মাস ধরে ক্লাস হবে। প্রতি ক্লাসের দৈঘ্য ২-৩ ঘন্টা।

ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করা যায়:

ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করার জন্য নিজের স্যোশাল মিডিয়া সাইটগুলো ব্যবহার করতে পারেন। প্রথম প্রথম নিজেই বিভিন্ন পণ্যের প্রচার করার জন্য প্রফেশনালি পোস্ট করুন। ফ্রিতে অন্যের হয়ে কাজ করুন। নিজেই একটি ফেসবুক পেজ খুলন। একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করুন। তারপর চেষ্টা করুন। এগুলোতে নিয়মিত পোস্ট করুন।

যদি আপনার ভিডিও এবং পোস্টতে দর্শক এনগেজ করতে পারেন, তাহল আপনাকে দিয়ে হবে। তখন দেখবেন, আপনার চ্যানেল দাড়িঁয়ে যাবে। মানুষ আপনার কাছে কাছে ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য। ডিজিটাল মার্কেটিং করিয়ে তাদের পণ্যের প্রচার করার জন্য আপনার সাথে চুক্তি করবে। আপনি তাদের পণ্যের প্রচার করবেন। তাদের কাছে থেকে টাকা নিবেন।

এবার আপনি যদি না পারেন, তাহলে কোর্স করুন। দেশে সরকারি-বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠান। যারা ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করান। অনলাইন-অফলাইন উভয় ব্যবস্থায়ই আছে। যেভাবে আপনার সুবিধা। যেসময় ফ্রি আছেন, কোর্স করুন। আর ডিজিটাল মার্কেটিং এর এক্সপার্ট হয়ে যান।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা কি:

ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক সুবিধা আছে। আসুন দেখি কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে। আমরা যদি সঠিক উপায়ে প্রফেশনালি ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারি তাহলে নিম্নরুপ সুবিধাগুলো পাবো;

  • খরচ কমবে;
  • সময় বাঁচবে;
  • পণ্যের প্রচার এবং প্রসার বাড়বে;
  • লাভ বেশি হবে;
  • পরিশ্রম কম হবে;
  • ক্যারিয়ার গড়তে পারবনে;
  • কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে;
  • ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স:

বাংলাদেশে ‘ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স’ করায় এমন প্রতিষ্ঠান প্রচুর আছে। অনেক সরকরি প্রতিষ্ঠান আছে। বেসরকরি প্রতিষ্ঠান আছে। যেকোন একটি থেকে কোর্স করতে পারেন। সাধারণত ৫-২৫ হাজার টাকার মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করতে পারবেন। আর সময় লাগবে ৩-৬ মাস। ক্লাস হয় ৩০ ৪০ টি। এই সর্ম্পকে আমাদের সাইটে আলাদা একটি পোস্ট করা আছে। বিস্তারিত জানতে পড়তে পারেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কতো দিন সময় লাগে?

ডিজিটাল মার্কেটিং ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কতোদিন সময় লাগবে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সম্ভব না। সবার একই রকম সময় লাগে না। কারণ সবাই একই রকম সময় দেয় না। সবার শিখার আগ্রহ সমান না। সবাই একই ডিভাইস দিয়ে কাজ শিখবে না। যেহেতু এতোগুলো উপাদান আলাদা তাই সময়ও লাগবে আলাদা আলাদা।

কেউ তিন মাসে ইনকাম শুরু করবে। আবার কেউ তিন বছরেও ইনকাম শুরু করতে পারবে না। যদি কেউ একটানা তিন মাস ডিজিটাল মার্কেটিং ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শিখে আর চর্চা করে তাহলে, তিন মাসে ইনকাম শুরু করতে পারবে। আবার কেউ যদি একদিন সারা শিখলো আর চর্চা করলো। আবার এক সপ্তাহ পরে বসে একদিন কাজ শিখলো তাহলে তাকে হবে না। প্রতিদিন ২-৩ ঘন্টা শিখুন। আর এগুলো চর্চা করুন। তাহলে দেখবেন, তিন মাসে ইনকাম শুরু করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং ডিজিটাল মার্কেটিং কি

ফ্রিল্যান্সিং ডিজিটাল মার্কেটিং হলো মূলত ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে যেসব কাজ করা হয় তাকেই বুঝায়। অর্থাৎ ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ যখন ফ্রিল্যান্সিং উপায়ে করা হয় তাই হলো ফ্রিল্যান্সিং ডিজিটাল মার্কেটিং। যারা মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে চান, তারা ফ্রিল্যান্সিং ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ করতে পারেন।

উপসংহার:

উপরের আলোচনা থেকে বলতে পারি যে, ডিজিটাল মার্কেটিং হলো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার প্রচার এবং প্রসার করাকে বুঝায়। আচ্ছা তাহলে আমরা কি কি শিখতে পারলাম। ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং এর বিস্তারিত। যদি কারো কোন কি জানার থাকে তাহলে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এমন সব গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট আছে। সাইট ভিজিট করুন। যে পোস্টটি ভালো লাগে শেয়ার করুন। আর পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

1 thought on “ডিজিটাল মার্কেটিং কি”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top